ছাত্রদের নতুন এ দলে যোগ দিতে পারেন সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা, সাবেক আমলা ও ব্যবসায়ীরা৷ এছাড়া আওয়ামী লীগ বিরোধী বিভিন্ন ছোট ছোট রাজনৈতিক দল যারা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করেছে তাদের একটি অংশও নতুন দলে যোগ দেবেন বলে নাগরিক কমিটির একটি সূত্র জানিয়েছে৷
নতুন দলটিতে কাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, কাকে কোন পদে রাখা হবে সেসব বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে৷ এছাড়া সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের এই রাজনৈতিক দলে যোগদানের পর তাদের পূর্বের রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রভাব ফেলবে কি না সেসব বিষয়েও সতর্ক থাকছে জাতীয় নাগরিক কমিটি৷
নতুন দলের অর্থের জোগান আসবে যেভাবে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অর্থের চাহিদা বিভিন্নভাবে মিটিয়ে থাকে৷ যার মধ্যে সদস্য বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া অর্থ, মাসিক বা বাৎসরিক চাঁদা এবং ক্রাউড ফান্ডিং অন্যতম। আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের অর্থের অন্যতম জোগানদাতা হবে ক্রাউড ফান্ডিং। অর্থাৎ দেশের জনগণ ও সমর্থক চাইলে দলে অর্থ দিতে পারবেন এবং সেটি হবে প্রকাশ্যে।
এছাড়া পদধারীদের মাসিক চাঁদার ব্যবস্থা করা ছাড়াও যে কেউ চাইলে দলটির জন্য অর্থ দিতে পারবেন। তবে এসব অর্থের হিসাব থাকবে এবং কে কত টাকা দিয়েছে তা জনগণ জানতে পারবে৷ জাতীয় নাগরিক কমিটির একটি সূত্র জানায়, অর্থ জোগানের বিষয়টি এমনভাবে চিন্তা করা হচ্ছে যেন স্বচ্ছতা থাকে, জনগণ যেন সবকিছু জানার অধিকার রাখে। উৎস: জাগোনিউজ ২৪