শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:২৩ দুপুর
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রমজানের রোজা যেভাবে ফরজ হয়

রমজান বছরের সেরা মাস। এ মাসের অসংখ্য ফজিলতের কথা কোরআন-হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। মহানবী (সা.) রজব ও শাবান মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রেখে রমজানের জন্য তৈরি হতেন। নবুওয়তের পরপরই রোজা ফরজ করা হয়নি; বরং দ্বিতীয় হিজরিতেই রমজানের রোজা ফরজ করা হয়।

রমজানের রোজা ইসলামের পাঁচটি রুকনের একটি। রমজান মাসব্যাপী রোজা রাখা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ। মহানবী (সা.)-এর আগের জাতিদের জন্যও রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনেরা, তোমাদের জন্য রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের আগের মানুষের জন্য, যেন তোমরা আল্লাহভীতি অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)

ইসলাম-পূর্ব আরবেও মানুষ রোজা রাখত। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘জাহেলি যুগে কুরাইশরা আশুরার রোজা পালন করত এবং আল্লাহর রাসুল (সা.)-ও এই রোজা পালন করতেন। যখন তিনি মদিনায় আসেন, তখনো এই রোজা পালন করেন এবং তা পালনের নির্দেশ দেন। বেশির ভাগ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরবর্তী সময়ে নফলে পরিণত হয়। যখন রমজানের রোজা ফরজ করা হলো, তখন আশুরার রোজা ঐচ্ছিক করে দেওয়া হলো। যার ইচ্ছা সে পালন করবে, আর যার ইচ্ছা পালন করবে না।’ (বুখারি: ২০০২)

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। ইমাম নববী (রহ.) লেখেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কেননা তা দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। আর নবী (সা.) একাদশ হিজরির রবিউল আউয়ালে ইন্তেকাল করেন।’ (আল-মাজমুআ: ৬/২৫০)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়