ডেস্ক রিপোর্ট : উৎসবমূখর আবহের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস, আংকারায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসের শুরুতে রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক-এর নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দূতাবাস-এর মিলনায়তনে শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও মাননীয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত মহান স্বাধীনতা দিবস-এর উপর নির্মিত একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অত:পর দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের উপর একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান এবং দূতালয় প্রধান জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম। সবশেষে, মান্যবর রাষ্ট্রদূত মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা বীরাঙ্গনাদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন।
তিনি আরও স্মরণ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পরাধীনতা থেকে মুক্তির লড়াইয়ে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়। ৯ মাসের যুদ্ধে এত বেশি মানুষ হত্যার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী, সুন্দর ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য এবং স্বাধীনতার লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি বৈষম্য ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য যে, স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার জন্য দূতাবাস এ বছর ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও তুরস্কের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সম্মানে ইফতার মাহফিল, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছে।