স্পোর্টস ডেস্ক : ২০০৯ সাল থেকে ২০২১, ১৩ মৌসুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, কলকাতা নাইট রাইডার্স ও পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলেছেন ক্রিস গেইল। ১৪২ ম্যাচে ৩৯.৭২ গড়ে ৪ হাজার ৯৬৫ রান করেছেন তিনি। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৩৫৭ ছক্কার মালিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারকুটে এই ব্যাটার। দুইয়ে থাকা ভারতের রোহিত শর্মার ছক্কার সংখ্যা ২৮০টি।
কলকাতার হয়ে প্রথম দুই মৌসুমে আলো ছড়াতে না পারায় ২০১১ সালের নিলামে অবিক্রিত ছিলেন গেইল। তবে টুর্নামেন্টের মাঝ পথে ডার্ক ন্যানেজের চোটে প্রথমবারের মতো বেঙ্গালুরুতে খেলার সুযোগ মিলে বাঁহাতি ব্যাটারের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা বেঙ্গালুরুতে যোগ দিতেই ভাগ্য বদলে যায় তাদের। সেবছর ১২ ম্যাচে ৬০৮ রান করে বেঙ্গালুরুকে ফাইনালে তুলেছিলেন গেইল। - ক্রিকফ্রেঞ্জি
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ২০৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট হয়েছিলেন ‘ইউনিভার্স বস’খ্যাত এই ব্যাটার। অশ্বিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গিয়ে সেদিন চতুর্থ বলেই ফিরেছিলেন তিনি। আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৫ বার গেইলকে আউট করেছেন অশ্বিন। প্রতিপক্ষের বোলারদের তুলোধুনো করলেও ডানহাতি অফ স্পিনারের বিপক্ষে গেইলের স্ট্রাইক রেট মাত্র ৮২.৮।
চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে সেই ফাইনালের ঘটনার উদাহরণ দিয়ে কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত জানিয়েছেন, অশ্বিন যখন বল হাতে নিতো তখন গেইলের পা কাঁপতো। চেন্নাইয়ে নিজের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘ক্রিস গেইল যে কাউকে ছক্কা–চার মারতে পারে কিন্তু তাকে আউট করতে অশ্বিনের চার বল লেগেছিল। অশ্বিন যখন বল হাতে নিতো তখন গেইলের পা কাঁপতে শুরু করতো।’
২০১১ সালের ফাইনালে ৪ ওভারে ১৬ রান নিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে চেন্নাইয়ের শিরোপা জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন অশ্বিন। ২০০৯ সালে থেকে ২০১৫ পর্যন্ত চেন্নাইয়ের হয়ে খেলেছেন। আইপিএলে চেন্নাইয়ের হয়ে ৯০ উইকেট নেয়া ডানহাতি অফ স্পিনার একই দলের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিয়েছেন ৩০ উইকেট। প্রায় এক দশক পর আবারও চেন্নাইয়ে ফিরেছেন অশ্বিন।
শ্রীকান্ত মনে করেন, মহেন্দ্র সিং ধোনিই ডানহাতি অফ স্পিনারকে ভালো টি-টোয়েন্টি বোলার হিসেবে খুঁজে বের করেছেন।তিনি বলেন, ‘অশ্বিনকে ভালো মানের টি-টোয়েন্টি বোলার হিসেবে খুঁজে বের করেছে সে হচ্ছে ধোনি। অশ্বিন টি-টোয়েন্টি থেকে ওয়ানডে এবং টেস্টে নিজেকে পরিণত করেছে। সে শুধু ভালো বোলারই নয় একজন ভালো ব্যাটারও।