‘ড. ইউনূস সেখানে যে যৌক্তিক বক্তব্য রেখেছেন, সেই যৌক্তিক বক্তব্য বিষয়ে ভারত তার ভূমিকা পালন করে প্রমাণ করবে তাদের সম্পর্ক এদেশের কোনো দলের সাথে নয়, তাদের সম্পর্ক বাংলাদেশের মানুষের সাথে।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এবং নরেন্দ্র মোদির সাথে যে আলোচনা হয়েছে সেটা বাংলাদেশের মানুষের যে মনোভাব সেটারই প্রকাশ হয়েছে। আমরা মনে করি, এই আলোচনা বাংলাদেশের জনগণের মনে আশা এবং স্বস্তির পরিবেশ তৈরি করেছে। আশা করি, ভারত বিষয়টি পজিটিভলি গ্রহণ করবে। ড. ইউনূস সেখানে যে যৌক্তিক বক্তব্য রেখেছেন, সেই যৌক্তিক বক্তব্য বিষয়ে ভারত তার ভূমিকা পালন করে প্রমাণ করবে তাদের সম্পর্ক এদেশের কোনো দলের সাথে নয়, তাদের সম্পর্ক বাংলাদেশের মানুষের সাথে।
থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ সম্পর্কে শনিবার (৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। সবচেয়ে ঘনিষ্ট দেশগুলোর একটি ভারত। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব; কারো সাথে বৈরীতা নয়। আমাদের সম্পর্ক হবে ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে। সুতরাং এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের সাথে যেভাবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক হওয়া উচিত ছিল সেভাবে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠেনি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি- ভারত সবসময় বাংলাদেশ থেকে নেয়ার চেষ্টা করেছে, আর এতদিন যারা ক্ষমতার ছিল (বিশেষ করে শেখ হাসিনা) তারা শুধু দেয়ার চেষ্টা করেছে। এর ফলেই ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের অনেক টানাপোড়েন আছে। এসবের মধ্যে রয়েছে গঙ্গার অবস্থান, তিস্তার পানিবণ্টন, সীমান্তে হত্যাযজ্ঞ এবং সর্বশেষ শেখ হাসিনা ভারত বসে যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন সেটা দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এবং নরেন্দ্র মোদির সাথে যে আলোচনা হয়েছে সেটা বাংলাদেশের মানুষের যে মনোভাব সেটারই প্রকাশ হয়েছে। আমরা মনে করি, এই আলোচনা বাংলাদেশের জনগণের মনে আশা এবং স্বস্তির পরিবেশ তৈরি করেছে।’