শিরোনাম
◈ সবাইকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান সার্জিস আলমের ◈ আরব আমিরাতের অর্থায়‌নে দে‌শের  ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব ◈ লেস্টার সি‌টির ফুটবলার হামজা চৌধুরীর অ‌ভি‌ষেক হ‌বে জাতীয় স্টেডিয়ামে   ◈ গাজায় স্বাস্থ্যকর্মীদের উপরে হামলা: তদন্তের প্রতিশ্রুতি ইসরায়েলের ◈ বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫ এ নাসার সঙ্গে চুক্তি হবে: আশিক মাহমুদ ◈ অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকায় আইএমএফের সন্তোষ প্রকাশ: অর্থ উপদেষ্টা ◈ রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল! ◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ◈ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া যেসব পণ্য শুল্ক ছাড় পেতে পারে তার তালিকা করছে এনবিআর ◈ শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ শরীয়তপুরের জাজিরায় গ্রেফতার ৮

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৫, ০৩:০৬ দুপুর
আপডেট : ০৬ এপ্রিল, ২০২৫, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী বিল পাস, জামায়াতের প্রতিবাদ

ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ব্যাপারে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) এক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গত ৩ এপ্রিল ভারতের লোকসভায় পাসকৃত বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, মালিকানা ও অধিকার হরণে বিজেপি সরকারের সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টার আরেকটি ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত। এই আইনের মাধ্যমে মুসলিমদের দানকৃত মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান ও আশ্রয়কেন্দ্রের মতো ধর্মীয় সম্পদগুলোতে সরকারি হস্তক্ষেপ ও দখলের পথ তৈরি করা হয়েছে। 

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সংশোধনী বিলে ওয়াকফ বোর্ড ও কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে অমুসলিম ২ জন সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা অনেকটাই খর্ব হয়ে যাবে, যা মুসলমানদের জন্য চরম উদ্বেগের বিষয়। এর মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নগ্ন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়বে। আমরা মনে করি, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যেই এই বিল পাশ করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতে ২৫ কোটির বেশি মুসলমানের বসবাস। ভারতে হাজার বছরের পুরনো মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নানা কূটকৌশলে ধ্বংস করা হচ্ছে। মুসলমানদের অন্যতম শরীয়তের বিধান ‘তিন তালাক’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লাভ ম্যারিজের নামে ধর্মান্তর প্রক্রিয়াকে সীমিত করা হয়েছে। গরুর গোশত রাখার অযুহাতে মুসলমানদের প্রায়ই পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মুসলমানদের ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হচ্ছে। ভারতের বিজিপি সরকারের এসব কর্মকান্ডই প্রমাণ করা তারা চরম মুসলিম বিদ্বেষী।

আমরা ভারতের বিজিপি সরকারকে এসব মুসলিম বিদ্বেষী অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আশা প্রকাশ করছি যে, তারা ভারতের মুসলমানদের জীবন, সহায়-সম্পত্তিসহ সকল স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তাদের নিরাপত্তা বিধানে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়