শিরোনাম
◈ রিজার্ভের পরিমাণ কত, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ হুমকিতে মহাকাশ নিরাপত্তা, পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছে ১২০০ যন্ত্রাংশ ◈ রাতে ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত ◈ বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক ◈ উন্নত চি‌কিৎসা নি‌তে সোমবার সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল ◈ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো মার্চে ◈ ঘ‌রোয়া ক্রিকে‌টে অসাধারন রেকর্ড, ১৫ ব‌লে আবাহনীর ইম‌নের অর্ধশত রান  ◈ শুল্ক নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্পের কাছে চিঠি পাঠাবেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ ওয়াকফ আইন পুনর্বিবেচনা করতে ভারতের প্রতি আহ্বান বিএনপির ◈ আওয়ামীপন্থী ৭২ আইনজীবী কারাগারে, বিশেষ বিবেচনায় ১১ জনের জামিন

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:১৮ দুপুর
আপডেট : ০৬ এপ্রিল, ২০২৫, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিচার ব্যবস্থা এনালগ করে রেখেছেন কেন? স্পেশাল জজ জাকির হোসেনের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন পলক

সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে উদ্দেশ্য করে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব বলেছেন, ‘বিচার ব্যবস্থা এনালগ করে রেখেছেন, আপনি আইসিটি মন্ত্রী থাকাকালে কেন ডিজিটাল কোর্ট করে দেননি? না হলে আদালতে আসতে হতো না। কারাগারে বসে হাজিরা দিতেন।’

তখন মহানগর দায়রা জজকে পলক জানান, করোনার সময় চালু করেছিলাম। অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল, চেষ্টা করেছি। পরে আর আগানো যায়নি।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের জন্য আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর বিচারক এ কথা বলেন।

পলককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন। আবেদনে বলা হয়, আসামি পলক যাত্রাবাড়ী থানার এক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে অন্তরীণ আছেন। তিনি সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা ১ এর মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। জেলহাজতে অন্তরীণ এজাহারনামীয় এ আসামিকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ প্রদান একান্ত প্রয়োজন।

জ্যোতিকে গ্রেফতার দেখাতে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

আবেদনে বলা হয়, আসামি শাফি মোদ্দাছির খান (জ্যোতি), তার পিতা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরস্পর যোগসাজশে ১৯ কোটি ৮৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ ভোগদখলে রাখেন এবং তার নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে নিজ এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭২ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করেন। উৎস: বাংলাট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়