শিরোনাম
◈ রিজার্ভের পরিমাণ কত, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ হুমকিতে মহাকাশ নিরাপত্তা, পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছে ১২০০ যন্ত্রাংশ ◈ রাতে ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত ◈ বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক ◈ উন্নত চি‌কিৎসা নি‌তে সোমবার সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল ◈ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো মার্চে ◈ ঘ‌রোয়া ক্রিকে‌টে অসাধারন রেকর্ড, ১৫ ব‌লে আবাহনীর ইম‌নের অর্ধশত রান  ◈ শুল্ক নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্পের কাছে চিঠি পাঠাবেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ ওয়াকফ আইন পুনর্বিবেচনা করতে ভারতের প্রতি আহ্বান বিএনপির ◈ আওয়ামীপন্থী ৭২ আইনজীবী কারাগারে, বিশেষ বিবেচনায় ১১ জনের জামিন

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০১ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাইবার নিরাপত্তা আইন অবশ্যই বাতিল হবে : আসিফ নজরুল

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন অবশ্যই বাতিল করা উচিত। এই আইন বাতিল হবেই। এমন মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আইনটি পুরোপুরি বাতিল হবে নাকি ‘স্পিচ অফেন্স’ সংক্রান্ত মামলাগুলো বাতিল করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আইন উপদেষ্টা বলেন, নতুন আইনের উদ্দেশ্য হবে সাইবার সুরক্ষা দেয়া। তাছাড়া, নারী ও শিশুদের স্পর্শকাতরতা বিবেচনা করে তাদের বিশেষ নিরাপত্তার ও নাগরিদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলোও আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, সাইবার সিকিউরিটি আইন বা এর আগের পুর্বসূরী মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে সরকার চাইলেই সব মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন না। ভুয়া মামলায় কেউ দোষী সাব্যস্ত হলেও তাকে একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মুক্তি পেতে হবে। এ সময় সকল ধরণের কালা কানুন থেকে দেশকে মুক্ত করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা পরিবর্তন করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়। তাতে পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি ও গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়। তাছাড়া ডিজিটাল মাধ্যম থেকে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত অপসারণের পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষমতাও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দেয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে কমানো হয় সাজার পরিমাণ। আগের আইনে ১৪টি জামিনঅযোগ্য ধারা ছিল। নতুন আইনে সেটি কমিয়ে চারটি করা হয়। আগের আইনটির ৫৭ ধারা সবচেয়ে ‘বিতর্কিত’ ছিল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়