এম.এ. লতিফ: [২] শনিবার কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ তিনজনকে ৭ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ।
[৩] এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির খিলগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ ইয়াসিন শিকদার। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
[৪] কারাগারে যাওয়া অপর দুজন হলেন- গোলাম দস্তগীর প্রিন্স ও এ বি এম খালিদ হাসান।
[৫] এর আগে গত ২৭ জুলাই তাদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৫ জুলাই বিকেলে রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোড থেকে এ্যানিকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরবর্তীতে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
[৬] মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শিক্ষার্থীরা রামপুরা ট্রাফিক পুলিশ বক্স ও বিটিভি ভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এর পর ‘বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশে ও সক্রিয় অংশগ্রহণে’ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ হাজার কর্মী দলবদ্ধ হয়ে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তারা দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের বাধা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে বিটিভি ভবনের প্রধান চারটি গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ভবনের ভেতর ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। টেলিভিশন ভবনে কর্মরত বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নাম ও পদবি উল্লেখ করে খোঁজাখুঁজি করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
[৭] সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ টেলিভিশনের ভেতরে থাকা আনুমানিক ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি মালামাল ভাঙচুর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী
এসবি২