শিরোনাম
◈ ফের সাভারে চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট ◈ ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই যুবকের ◈ ফিফা র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদশে, পিছিয়েছে ভারত ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক খারাপ হয়, এমন বক্তব্য পরিহার করার আহ্বান ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ◈ এবার মার্কিন পণ্যে পাল্টা ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল চীন ◈ বিশ্বের মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ জুলুম চালাতে পারবে না : ইরান ◈ দেশে ফিরলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন নিয়ে ড. ইউনূসকে যা বলেন মোদি ◈ ড. ইউনূস-মোদি ৪০ মিনিটের বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা করেন ◈ লাশের স্তুপে পরে থাকা কানাই লাল জানালেন সেই নৃশংস গণহত্যার ঘটনা

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৪, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ১৬ মার্চ, ২০২৫, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোবেলবিজয়ী কেনো এমডি পদের জন্য লালায়িত, বুঝলাম না: প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (ছবি: ফোকাস বাংলা)

সালেহ্ বিপ্লব: [২.১] শেখ হাসিনা বলেন, একটা পদ। একটা ব্যাংকের এমডি পদ। এই পদ নিয়েই যতো জটিলতা, যতো সমাচার। এতো দামি দামি নোবেল লরিয়ট এমডি পদের জন্য লালায়িত কেনো, এই প্রশ্নের জবাব আমি আজও পেলাম না। 

[২.২] শেখ হাসিনা প্রফেসর ইউনূসের নাম উল্লেখ না করেই বলেন, তিনি আমার অফিসারদের ধমক দেন, এমডি পদ না থাকলে নাকি বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতুতে টাকা দেবে না। তার জন্য তদ্বির করতে হিলারি ক্লিনটন আমাকে দুবার ফোন করেছেন। ব্রিটেনের সে সময়কার টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারও ফোন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তাদের একটি কথাই জিজ্ঞেস করেছি। এমডি পদে কী মধু আছে?

[৩] শুক্রবার বিকেলে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আয়োজিত সুধী সমাবেশে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

[৪] প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক এরশাদ আমলে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর প্রশ্ন উঠলো, এমডি কে হবেন? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসরের নাম এলো। তাকে এনে এমডি করা হলো। আমরা সরকারে আসার পর এক সময় প্রশ্ন এলো তার বয়স নিয়ে। আইনে আছে, বয়সের ৬০ পার হয়ে গেলে কেউ এমডি থাকতে পারেন না। কিন্তু তার বয়স তখন ৭০ হয়ে গেছে। আইন মোতাবেক তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

[৫] শেখ হাসিনা বলেন, এমডি পদ হারিয়ে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করলেন। দুটি মামলাতেই হারলেন। এরপর শুরু হলো বিদেশিদের দিয়ে সুপারিশ করানো। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসেন, তার পক্ষে সুপারিশ করেন। এক পর্যায়ে আমি বললাম, এই বিষয়ে আমি আর কারো সঙ্গে দেখা করবো না। করিওনি।

[৬] সরকারপ্রধান বলেন, এমডি পদে কী মধু, এখন বোঝা যাচ্ছে। যখন কর্মচারীরা মামলা করলো, ট্যাক্স ফাঁকির মামলা হলো; তখন বোঝা গেলো। সামনে অডিট রিপোর্ট আসবে। তখন পুরো বিষয়টা বোঝা যাবে।

এসবি/একে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়