শিরোনাম
◈ মধ্যরাতে গুলশানে এইচ টি ইমামের ছেলের বাসায় তল্লাশি (ভিডিও) ◈ দুঃখ প্রকাশ করে জেলেনস্কির টুইট, যা বললেন তিনি ◈ ক্ষমতায় আসা এত সহজ না: নাগরিক পার্টিকে মির্জা আব্বাস ◈ ঈদের আগে প্রণোদনার ৭ হাজার কোটি টাকা চায় বিকেএমইএ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিজনেস এলিট ফোরটি আন্ডার ফোরটি’ পেলেন বাংলাদেশি কাদের ◈ আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি : ডিবি প্রধান ◈ ট্রাম্পের বক্তব্যের পাল্টা বিবৃতি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কোনো কারণ দেখছে না সরকার ◈ পুলিশে ফের রদবদল, সিআইডি প্রধানসহ ১৮ কর্মকর্তা বদলি ◈ অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারত ◈ পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের ১৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

প্রকাশিত : ০৪ মার্চ, ২০২৫, ০৯:১০ রাত
আপডেট : ০৫ মার্চ, ২০২৫, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পর্যাপ্ত ঘুম হয় না? রোজায় ঘুমের অভাব কাটিয়ে উঠার ৪ উপায়

পবিত্র রমজান মাসে জীবনযাপন একদমই বদলে যায় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের। এ মাসে ভোর রাতে সেহরি খাওয়ার পর সারাদিন না খেয়ে থেকে সন্ধ্যায় মাগরিবে ইফতার করা হয়। এই দীর্ঘ সময় যেমন না খেয়ে থাকতে হয়, আবার সন্ধ্যায় ইফতারের পর মাগরিব এবং এশার নামাজ আদায় করেন সবাই। এরপর তারাবিহর নামাজ আদায় করা হয়।

রাতের নামাজ শেষে মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই সেহরি খাওয়ার সময় হয়। দিন ও রাতে ইবাদতের কারণে এ মাসে কেউ কেউ পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারেন না। হঠাৎ করে জীবনযাপনে পরিবর্তন আসলে শুরুর দিকে সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। তবে কিছুদিন পর সব ঠিক হয়ে যায়।

এদিকে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। সারাদিন রোজা থাকার পর যথেষ্ট ঘুম না হলে ক্লান্তি, বিরক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য ঘুমের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। রোজায় ঘুমের অভাব কাটিয়ে উঠার উপায় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তান। এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক তাহলে।

ঘুমের সময়সূচি তৈরি করা: ইফতার ও সেহরির মধ্যকার অন্তত চার ঘণ্টা ঘুমের সময় নির্ধারণের চেষ্টা করুন। সেহরি ও ফজরের নামাজের পর অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা ঘুমের চেষ্টা করুন। এতে অন্তত ছয় ঘণ্টা ঘুম হবে। এই অস্থায়ী পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরকে খাপ খাইয়ে নিতে ঘুমানো ও ঘুম থেকে উঠার সময়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করুন।

ঘুমের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলা: রমজান মাসে যেহেতু জীবনযাপনে পরিবর্তন আসে, তাই এ মাসে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘুমের সময়সূচি করে নিন। প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে উঠা শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। এতে সহজেই ঘুমিয়ে পড়া সহজ হয় এবং ঘুমের অভাবের প্রভাব অনেকটাই কমে।

কিছুটা ঘুমিয়ে নেয়া: রমজানে চেষ্টা করুন দিনের বেলায় অল্প সময়ের জন্য ঘুমানো যায় কিনা। বিশেষ করে ২০-৩০ মিনিটের মতো ঘুমানোর সময় বের করার চেষ্টা করুন। এই অল্প সময়ের ঘুম আপনার সতর্কতা বৃদ্ধি এবং শক্তির মাত্রা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে দিনের বেলায় দীর্ঘ সময় না ঘুমানোই ভালো। এতে রাতে ঘুমাতে দেরি বা ঘুম ব্যাহত হতে পারে।

ডায়েটে নজর দেয়া: ইফতার ও সেহরির সময় আপনি যেসব খাবার খান, তা আপনার ঘুমের মানের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ জন্য অতিরিক্ত চিনিযুক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। কেননা, এসব খাবার হজম করতে কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় এবং ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আবার ঘুমের আগে চা-কফির মতো ক্যাফেইন গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়