শিরোনাম
◈ তাহলে কি রোববার সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হচ্ছে ◈ মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত ১৪৪, শতাধিক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা থাইল্যান্ডে  ◈ বাংলাদেশের ১১টি প্রভাবশালী পরিবারকে টার্গেট করে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক: আল জাজিরার রিপোর্ট ◈ কাঁটাতার বসাতে গেলেই বাধা দেয় মমতার লোক: বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে অমিত শাহ (ভিডিও) ◈ পার্বত্য চট্টগ্রামে নাশকতায় অচল রবির অর্ধশত টাওয়ার, দুর্ভোগে স্থানীয়রা ◈ সরি, সংস্কার করা আপনাদের দায়িত্ব না: অন্তর্বর্তী সরকারকে আমির খসরু ◈ ভারত থেকে সুতা আমদানি বন্ধের নির্দেশ ◈ ‘আমার একটাই কষ্ট, একজন মাদকাসক্ত ছেলের জন্য আমার নিরপরাধ নাতি কারাগারে যাচ্ছে’ ◈ ভারতের অর্থনীতি তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যাবে : চিদাম্বরমের সতর্কবার্তা ◈ আমাদের দেশের লিডারশিপ ভণ্ডামিপূর্ণ: হাসনাত আবদুল্লাহ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ, ২০২৫, ০৫:০০ বিকাল
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২৫, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন আর নেই

ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি সংস্কৃতিজন, রবীন্দ্র গবেষক ও সংগীতজ্ঞ সনজীদা খাতুন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিকাল ৩.১০ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি এই হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন।  সন্জীদা খাতুনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার পুত্রবধূ ও ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা। 

তার মৃত্যুতে গভীরশোক জানিয়েছে ছায়ানট। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।  সন্‌জীদা খাতুনের জন্ম ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল।বাবা কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক। মা সাজেদা খাতুন গৃহিণী। সন্‌জীদা খাতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়থেকে ১৯৫৪ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক, ১৯৫৫ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং ১৯৭৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতা দিয়েই তার কর্মজীবন শুরু। 

তিনি  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাবিভাগে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেছেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কার তিনি পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ, ভারত), দেশিকোত্তম পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)।

এছাড়া কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট ১৯৮৮ সালে তাকে ‘রবীন্দ্র তত্ত্বাচার্য’ উপাধি, ২০১৯ সালে ‘নজরুল মানস’ প্রবন্ধ গ্রন্থের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার দেয়। ২০২১ সালেভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়