আমাকে কনুই দিয়ে আমার বুকে এত জোরে মেরেছে আমি ইনস্ট্যান্ট সেখানে সেন্সলেস হয়ে পড়ে যাই, আপনারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করলেন আপনারা আমাদের সাথে এরকম আচরণ করতে পারেন না। এই আন্দোলন আমরা সফল করেছি এই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন দরকার ছিল না এই আন্দোলনে নামার আপনাদের এই ছাত্র সংগঠন মানি না মানবো না কাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে ওই ওই জায়গাতে আছেন প্রাইভেট আছে সকলেই আছে এইটার ঘোষণা আপনারা শহীদ মিনারে করুন, আমরা এইটার ঘোষণা শহীদ মিনারে থেকে শুনতে চাই। তারা আমাদের এই কথা প্রত্যাখ্যান করলো, তারা বলল না তারা মধুর ক্যান্টিনেই তাদের। কথাগুলো বললেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
দল ঘোষণা করবে ঠিক আছে আমরা মধুর ক্যান্টিনে গেলাম মধুর ক্যান্টিনে গিয়ে দেখতে পারলাম তারা প্রাইভেটকে কোনরকম মূল্যায়নই করছে না, আমরা সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুললাম। তখনই আমাকে আঘাত করল।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের দাবি, সবার সাথে বসে, মতামতের ভিত্তিতে, তারপর তারা কমিটি গঠন করুক। আমাদের ওপর যে অন্যায় করা হয়েছে—প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের ওপর গায়ে হাত তোলা হয়েছে, সবার সামনে! উস্কানিমূলকভাবে ওদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে!
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের ওপর গায়ে হাত তুলতে কেমন করে পারলো? তাদের বুক কি একটুও কাঁপেনি? একটুও কাঁপেনি! তাদের এটা সবসময় চিন্তা করা উচিত যে, আমরা কাদের গায়ে হাত তুলছি? আমরা কাদের সাথে বৈষম্য করছি? তারা একবারও স্বীকার করছে না, জুলাইয়ের মেইন স্টেকহোল্ডার তারাই ছিল!”
তিনি আরও বলেন, “আপনাদেরকে যখন ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছিল পাঁচজন সমন্বয়ককে, আমরা সারা বাংলাদেশের মানুষ সেই বুড়া প্রেসকে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম! এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে সর্বপ্রকারে, সর্বোত্তম অবদান রেখেছে! আজকে বলতে চাই—আপনারা যেরকম সিন্ডিকেট ভিত্তিক এবং এত সুন্দরভাবে সাজিয়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা সংগঠনে পরিণত করেছেন, আমরা সেটাকে প্রাইভেট থেকে প্রত্যাখ্যান করছি! আমরা আপনাদের এই সিন্ডিকেট ভিত্তিক ব্যবস্থা মানি না!”
শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে আওয়াজ তুলছেন, ন্যায়বিচার এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সূত্র : ডিবিসি থেকে নেয়া