অভিযানে নেতৃত্বে দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম রানা এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান।
সদর উপজেলা কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে যানবাহনগুলোতে যাত্রীর চাপ তৈরি হয়েছে। আর এ সুযোগে পরিবহনমালিকেরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন, যাত্রীদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালানো হয়। লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় চলাচলকারী কয়েকটি বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনেক বাসের কাউন্টারে টিকিটের মূল্য না লিখেই ভাড়া আদায় করতে দেখা যায়। এসব কারণে অভিযান চালিয়ে সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী জোনাকী সার্ভিসকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা।
এ সময় যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় ইকোনো ও জোনাকী সার্ভিস কর্তৃক আদায়কৃত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা যাত্রীদের ফেরত নিয়ে দেওয়া হয়।
অপর দিকে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ঢাকা এক্সপ্রেসকে চার হাজার টাকা, স্টার লাইন বাস সার্ভিসকে চার হাজার টাকা এবং ইকোনো বাস সার্ভিসকে পনেরো হাজার টাকাসহ মোট তেইশ হাজার টাকা জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার মজিবুর রহমান। দুটি অভিযানে সর্বমোট তেতাল্লিশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
যাত্রীরা জানান, ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার সময় তাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছিল পরিবহন মালিকরা। এমন অপরাধ রোধে ও যাত্রীদের সেবায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। প্রশাসনের অভিযানে তাদের টাকা ফেরত দিয়েছে পরিবহনগুলো। ঈদের ফিরতি যাত্রা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
এ ব্যাপারে অভিযানে নেতৃত্বদানকারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা বলেন, পবিত্র ঈদ উল ফিতরে ঘরে ফেরা মানুষগুলো জীবিকার তাগিদে আবার ফিরে যাচ্ছেন কর্মস্থলে। ফলে যানবাহনগুলোতে রয়েছে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন এক শ্রেণির পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। এমন অভিযোগের সত্যতা মেলায় অভিযুক্তদের জরিমানা আদায় করা হয়। ঈদে ঘরে ফেরা মানুষগুলো ভোগান্তি ছাড়া যেনো কর্মস্থলে ফিরতে পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।