শিরোনাম
◈ জুনের মধ্যেই একসঙ্গে করা সম্ভব পাঁচ স্থানীয় নির্বাচন: সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ◈ ঝিনাইদহে তিন জনকে হত্যা ও 'চরমপন্থি দলের দায় স্বীকার' নিয়ে ধোঁয়াশা ◈ নিজ জমির মতো ভোটকেন্দ্রও পাহারা দিতে হবে: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ◈ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের রাজনীতিতে আসার আহ্বান সারজিস আলমের (ভিডিও) ◈ এসব অপমানজনক কথায় আমি ভয় পাই যতোটা, মন খারাপ হয় তারচেয়ে বেশি: আসিফ নজরুল ◈ কী বার্তা দিচ্ছে আখতারের ফেসবুক পোস্ট  ◈ বিবিসিকে তিন লাখ ৯৮ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা ◈ মাস্কের ছেলের কাণ্ডে ডেস্কই সরিয়ে ফেললেন ট্রাম্প! (ভিডিও) ◈ ইংলিসের শতকে রানের রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেলো অস্ট্রেলিয়া ◈ মাইকে ঘোষণা দিয়ে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, যুবদল নেতা বহিষ্কার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৩ দুপুর
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজশাহীতে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যা: পলাতক স্বামী ও তার প্রথম স্ত্রী গ্রেফতার

ইফতেখার আলম বিশাল : রাজশাহী মহানগরীতে গৃহবধূকে শয়নকক্ষে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ক্লুলেস হত্যামামলার প্রধান আসামি আলমগীর হোসেন রয়েল ও তার প্রথম স্ত্রী মোসাঃ সেলিনাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার প্যাড়াভাঙ্গা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আলমগীর হোসেন রয়েল (৪২) রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন সবজিপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। তার সঙ্গে আটক হওয়া সেলিনা (৪৫) রয়েলের প্রথম স্ত্রী। র‍্যাব-৫ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রয়েল প্রায় দুই বছর আগে মোসাঃ হেলেনা (৩৫)-কে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে হেলেনার এক প্রতিবেশী তার মাকে ফোন করে জানান, তার মেয়ে মারা গেছেন। পরে হেলেনার মা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, আগুনে পুড়ে তার মেয়ে নিথর হয়ে পড়ে আছেন। র‍্যাব জানায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টার মধ্যে যে কোনো সময় অজ্ঞাতনামা কেউ হেলেনাকে পরিকল্পিতভাবে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঘটনাটি ব্যাপকভাবে গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়।

এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং আসামিদের গ্রেফতারে তদন্তে নামে র‍্যাব। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সন্দেহভাজন আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করে। পরে র‍্যাব-৫, সিপিএসসি, রাজশাহী এবং র‍্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি যৌথ আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে এবং অবশেষে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়