হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামে ইজিবাইকের চাপায় দাদি-নাতি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো তিনজন। আহতদের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ মার্চ) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামের মহম্মদপুর-বোয়ালমারী সড়কের শাহ জাফর মহিলা মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- হাট ময়না গ্রামের আমিনুল রহমান মোল্যার স্ত্রী পারভিন বেগম (৪০) ও তার ৪ মাসের চাচাতো নাতি মহশিন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মহম্মদপুর-বোয়ালমারী সড়কে বোয়ালমারীগামী একটি ইজিবাইক রাস্তার পাশে বসে থাকা পারভিন বেগম ও জুনু বেগমকে (৫০) চাপা দেয়। এ সময় ইজিবাইকটি উল্টে যায়। এ সময় ইজিবাইকে থাকা চালক ও চালকের স্ত্রী মারাত্মক আহত হন। তাদেরকে প্রথমে বোয়ালমারী পরে ফরিদপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে এবং চাপা পড়া আর এক মহিলা জুনু বেগমকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পারভিন বেগমকে ও নাতি মহশিনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বোয়ালমারী কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সামনে গেলে পারভিন বেগম ও শিশুটি মারা যান।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) রেজাউল করিম জানান, পারভিন বেগম, জুনু বেগম ও তাদের কোলে থাকা নাতিকে নিয়ে বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে বসে ছিল। এ সময় ইজিবাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাপা দেয় এবং উল্টে গিয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ময়না গ্রামের প্রফেসর মজিবর রহমান বলেন, ইজি বাইক চালকের বাড়ি কামারখালী এলাকায়। তিনি বোয়ালমারী আসার পথে রাস্তার পাশে বসে থাকা পারভিন বেগম, জুনু বেগম ও তাদের কোলে থাকা নাতিকে চাপা দিয়ে ইজিবাইক উল্টে যায়। চাপা দেওয়ার ঘটনায় পারভিন বেগম ও তার চাচতো নাতি মহশিন মারা যায়। বাকি তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ইজিবাইক চাপায় দাদি-নাতি নিহত হয়েছেন বলে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।