শিরোনাম
◈ প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে চলমান সংস্কারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব ◈ মার্চে বাংলাদেশে সফরে আসছেন জাতিসংঘের মহাসচিব ◈ রংপুরে হিযবুত তাওহীদ-এলাকাবাসী সংঘর্ষের নেপথ্যে কী? ◈ যে কারণে বাধ্য হয়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে কিডনি বিক্রি করছে! ◈ হরিরামপুরে সময়মতো আসেন না চিকিৎসক-কর্মচারী, ভোগান্তিতে রোগীরা ◈ ভারতীয় এনআইডি কার্ড ও বিদেশি পিস্তলসহ নারী আটক ◈ নতুন দল নিয়ে যে বার্তা দিলেন ফাহাম আব্দুস সালাম ◈ এবার যেভাবে মিলবে মার্কিন নাগরিকত্ব, জানালেন ট্রাম্প ◈ খনিজসম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে রাজি জেলেনস্কি ◈ বার্সেলোনা এগিয়ে থেকেও হোঁচট খেলো অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ০২:২৪ রাত
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রবাসে পালাতে গিয়ে বিমানবন্দরে ধরা ধ.র্ষণ মামলার প্রধান আসামি

প্রবাসে পালাতে গিয়ে বিমানবন্দরে ধরা পড়েছেন ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হারুন উর রশিদ (৩০)। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার হারুন উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারী গ্রামের মিয়াজী বাড়ির রফিকুল ইসলামের ছেলে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি বায়েজিদ আখন্দ বলেন, ধর্ষণ মামলার পর থেকে হারুন পলাতক ছিলেন। মঙ্গলবার তার প্রবাসে পালিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় বিমানবন্দর থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) নিদুল চন্দ্র কপালীর নেতৃত্বে একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ও একটি মেমোরি কার্ড উদ্ধার করা হয়। সেখানে গৃহবধূর আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

জানা গেছে, সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের বাসিন্দা ইরাক প্রবাসী নুর নবী সাগরের স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। ফলে মা-বাবার চিকিৎসা ও তার পরিবারের জন্য সাগর যে টাকা পাঠাতেন তা বন্ধু হারুনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই পাঠাতেন। এই সূত্রে হারুন বাড়ির সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

কিছুদিন আগে সাগরের স্ত্রীর অজান্তেই তার অর্ধনগ্ন ছবি-ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেল শুরু করেন হারুন। ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথম ধাপে ৫০ হাজার টাকা নেন এবং ভিডিও দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। হারুনকে নানাভাবে সহযোগিতা করেন মোবাইল মেকানিক জাকির হোসেন শুভ। এরপর আপত্তিকর ভিডিও দেখিয়ে তা ভাইরাল করার কথা বলে প্রবাসী সাগরের জমি কেনার জন্য পাঠানো ৩০ লাখ টাকা এবং ২০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয় হারুন ও শুভ। হারুন বিদেশে যাবেন বলে তার কাছে থাকা ভিডিওগুলো তার বন্ধু জাকির হোসেন শুভকে দেন। এরপর শুভ ভুক্তভোগীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

ভুক্তভোগীর স্বামী নুর নবী সাগর বলেন, বন্ধু হয়ে আমার প্রবাসে অর্জিত সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করে তারা আমার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে আমার ছোট মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ছয় লাখ টাকা ঋণ নেয়। খালেদা আক্তার নামে একজন থেকে সুদের ওপর তিন লাখ টাকা নেয়। এভাবে হারুন ও শুভ আমার ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। আমাকে পথের ভিখারি বানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি আসামিরা পুনরায় গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে আরও ১৫ লাখ টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী বাড়ি ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গৃহবধূ তিনজনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। মামলার পর গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুই নম্বর আসামি জাকির হোসেন শুভকে গ্রেপ্তার করা হয়। উৎস: দেশ রুপান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়