সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে একটি শহীদ মিনার ভেঙে ফেলার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, আসল ঘটনা ভিন্ন।
ফেসবুকে রিউমর স্ক্যানার বাংলাদেশ জানান, উক্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ পুরোনো শহীদ মিনারটি ভেঙে ফেলেছে, কারণ সেখানে ইতোমধ্যে একটি নতুন শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছে। নতুন শহীদ মিনারটি গত বছর নির্মাণ করা হয় এবং চলতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সেখানে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সূত্রগুলোও নিশ্চিত করেছে যে, পুরোনো শহীদ মিনারটির স্থলে নতুন, আধুনিক ও বৃহৎ একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়েছে। তবে বিভ্রান্তিমূলক ভিডিওর কারণে অনেকেই ভুল ধারণা করছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে যেকোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা উচিত, যাতে বিভ্রান্তি ও ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়ে না পড়ে।
জানা গেছে, যে স্কুলের শহীদ মিনারটি ভেঙে ফেলা হয়েছে তার নাম টিকারী বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৭২ সালে ঝিনাইদহের সদর উপজেলায় এটি অবস্থিত।
সেখানে ২০২৩ সালেও ফুল দিয়েছিল শিক্ষার্থীরা। পাশে নতুন শহীদ মিনারে ২০২৪ সাল থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন চলছে। ভাইরাল ভিডিওটি পুরাতন শহীদ মিনার। যা ছড়িয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। নতুন শহীদ মিনার নির্মাণের পরই ভেঙে ফেলা হয় পুরাতনটি।
এদিকে ভাইরাল শহীদ মিনারটির ছবি ও ঘটনা নিজেদের পেজে প্রকাশ করে এ জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :