শাহীন খন্দকার : [২] রাজধানীর শেরেবাংলা নগর ২৩ টি বিভিন্ন ফুল ওফলের নার্সারী করোনা পরিস্থিতিতে পরিচর্যার অভাবে মারা যাচ্ছে বলে জানালেন শান্তি গার্ডেনের পরিচালক। মোহম্মদ ফারুক একজন গাছের চিকিৎসক। তিনি চারা রোপণসহ গাছের পরিচর্যা করেন। তিনি এ পেশায় শিশু শ্রমিক হিসাবে গুলশান, বারিধারা, ঝিলপাড়, আজমীরি নার্সারিতে গাছের চারার পরিচর্যার কাজ শুরু করেন মাসিক মাত্র ৩০০ টাকা বেতনে ।
[৩] তিনি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার ভবানী খিলা গ্রামের দরিদ্র বাবা মায়ের জন্য কয়েক মাসের টাকা জমিয়ে আজমিরী নার্সারীর মালিকের সহায়তায় বারী যেতেন বলা জানান।
[৪] এভাবেই রাজধানীর আগারগাঁও আর্কাইবস ভবনের পাশে আজমেরী নার্সারির মালিকের সহায়তায় নার্সারীটি গরে তুলেছেন।
এদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ফলে তার একদিকে বেচাকেনা নেই। সেই সাথে নার্সারিতে পানি দেওয়াসহ পরিচর্যায় ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে বলে জানালেন তিনি। লোক না থাকায় প্রথম নিয়ম করে পানি না দেওয়ার ফলে গাছ মরে যাচ্ছে। শহরে লকডাউন হওয়াতে লোকজন নেই বেচা-কেনা ও নেই। ফলে আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়ে পড়েছেন নাড়সারীর মালিকেরা। মাসিক দুই লক্ষ্য টাকার গাছ বিক্রি করে হয় গাছের চারা। এসব গাছ পরিচর্যা করতে অনেক টাকা ব্যয় হয় বলে জানালেন তিনি।
[৫] কর্মচারীর বেতনসহ গাছের সাড়, মাটি গোবর সাড় দূর-দূরান্ত থেকে ট্রাকে ক্রয় করে আনতে হয়। এভাবেই চলে যায় সিংহ ভাগ টাকা। বাকি থাকে তা দিয়ে ঘরভাড়া এবং বাড়িতে মা বাবা ভাই বোনের খরচ পাঠাতে হয়। প্রায় একমাস কোভিড-১৯ এর কারণে এখন পথে বসেছি। তিনি বলেন, এই ভাইরাস মুক্ত হলেই আমাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে বলে দাবি গাছের চিকিৎসক ফারুক মিয়ার।