শিরোনাম
◈ থাইল্যান্ডকে ভিসা সহজীকরণসহ যেসব বিষয়ে আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ ইউনূস-মোদি বৈঠকে আশার আলো তৈরি হয়েছে: ফখরুল ইসলাম ◈ পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে শ্রীলঙ্কার সহায়তা চেয়েছে সরকার ◈ বিমসটেক মহাসচিবকে যে উদ্যোগ নিতে বললেন ড. ইউনূস ◈ উসকানিতে মাঠে নামবে না-ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ◈ এনসিপি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত: সারজিস আলম  ◈ এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা প্রথম ধাপে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ◈ ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় যা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ◈ ‌‘৯০ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অভিযোগ পেয়েছি’ ◈ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত: বিক্রম মিশ্রি

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০১৯, ০৪:১২ সকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০১৯, ০৪:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নক্ষত্রের কাছে নতুন গ্রহের সন্ধান

নিউজ ডেস্ক : নক্ষত্রের খুব কাছে- প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় টিকে থাকতে সক্ষম এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বিপজ্জনক এ অঞ্চলে কোন গ্রহের উপস্থিতি সম্ভব না বলেই ধারণা করা হতো এতদিন। তবে এনজিটিএস- ফোরবি নামের এই গ্রহটি আবিষ্কারের পর নড়ে চড়ে বসেছেন বিজ্ঞানীরা। ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি

৯২০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত গ্রহটি আকারে পৃথিবীর চাইতে তিন গুণ বড়। ১৪.৭ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ৩৬৫ দিন। কিন্তু নতুন এই গ্রহটি মাত্র দেড় দিনে তার নিজস্ব নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেইলিস বলেন, মাত্র দেড় দিনে একটি গ্রহ একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। বুঝতে পারছেন এটি নক্ষত্রের কত কাছে অবস্থিত। এ ধরনের কোন গ্রহ আমরা আগে দেখিনি। এই প্রতিকূল পরিবেশে এটি কিভাবে টিকে আছে তা আমাদের ধারণার বাইরে।

নক্ষত্রের খুব কাছের এলাকাকে বলা হয় নেপচুনিয়ান ডেজার্ট। প্রায় ১ হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং প্রচণ্ড বিকিরণের কারণে এ অঞ্চলে কোন গ্রহই টিকতে পারার কথা নয়। তবে বিজ্ঞানীদের সব ধারণা বদলে দিয়েছে নতুন আবিষ্কার হওয়া এই গ্রহ।

নেক্সট জেনারেশন ট্রানজিট সার্ভে টেলিস্কোপের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়ায় গ্রহটির নাম দেয়া হয় এনজিটিএস-ফোরবি। চিলির আতাকামা মরুভূমি থেকে এটি দেখতে পান ইউরোপিয়ান সাউদার্ন ওবজার্ভেটরি, ইএসও-র বিজ্ঞানীরা।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেইলিস বলেন, "আমরা সবসময় মহাকাশের গ্রহ নক্ষত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করি। হুট করে কোন গ্রহ বা নক্ষত্র আলো ছড়ালে সেটি আমাদের টেলিস্কোপে ধরা পড়ে। এই গ্রহটি টেলিস্কোপে খুবই সামান্য সিগন্যাল দিচ্ছিল। এটার আকার বৃহস্পতি গ্রহের চাইতে খুব ছোট আর নেপচুনের প্রায় সমান।"

গ্যাসীয় বায়ুমণ্ডলযুক্ত এই গ্রহ, কি করে নিজ নক্ষত্রের এত কাছে পৌঁছলো তা ভেবে কুল পাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। একে অবাস্তব গ্রহ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়