সংসদ প্রতিবেদক : সংসদে বিদ্যু, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, সমাজের কিছু অসাধু মানুষের অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎতের অনেক অপচয় হচ্ছে। সরকার এসব অবৈধভাবে বিদ্যুৎতের ব্যবহার ও অপচয় রোধকল্পে নানামুখি কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎতের ব্যবহার ও অপচয় রোধে মন্ত্রণালয় পাঁচটি পদক্ষেপ নিয়েছে। এগুলো হচ্ছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, অবৈধ সংযোগ বন্ধে টাস্কির্ফোস গঠন ও ঝটিকা অভিযান, পোষ্ট পেইড মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল ও প্রি-পেইড/স্মাট মিটার স্থাপন, অপচয় রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদ্যু সপ্তাহ,বিদ্যুৎ মেলা, স্কাউট ক্যাম্প আয়োজন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে বিদ্যুৎ চুরি ও অবৈধ ব্যবহার বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১ম অধিবেশনে ভোলা-২ আসনের নির্বাচিত সদস্য আলী আজমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মাগরিকের নামাজের পর এ অধিবেশন শুরু হয়।
আলী আজমের অপর এক প্রশ্নে জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে বিভিন্ন অনুসন্ধানের পর ৪টি নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে। আবিস্কৃত এলাকাগুলো হচ্ছে, -শ্রীকাইল, সুন্দলপুর, রুপগঞ্জ ও ভোলা নর্থ।
নোয়াখালী-২ আসনের এমপি মোরশেদ আলমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি গ্রাম ও পরিবারে বিদ্যু সুবিধা পৌঁছে দিতে সচেষ্ট রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎতের উৎপাদন ক্ষমতা ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার মাধ্যমে গ্রাহক চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে। সরকার সবাইর জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিতে নতুন নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কার্যক্রম গ্রহণ ও নিবিড় তদারকির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এর মধ্যে সরকার ও বেসরকারি খাতে মোট ২৮ হাজার ২৪৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৪৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ০৮৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১১১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়েছে। ভারতের বহরমপুর ও ত্রিপুরা থেকে মোট ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়েছে।