Skip to main content

শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

জুয়েল খান : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করার পর থেকে বংলাদেশে সোনা ফলা শুরু করেছে। এখন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ১০ জানুয়ারি রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের যে বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন, তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করছেন। আদতে বঙ্গবন্ধুর সেই নেতৃত্বের গুণাবলী তার কন্যার মধ্যেও আমরা দেখতে পাচ্ছি। তিনি স্বপ্ন দেখাতে পারেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য স্বপ্নের সাথে হাঁটছেন এবং বাংলাদেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার উদাহারণ হিসেবে ২০০৮ সালে বাংলাদেশে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ছিলো ৪ শতাংশ আর এখন ২০১৯ সালের প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ। তখন দারিদ্র্য হার ছিলো ৪১ শতাংশেরও বেশি আর এখন সেটা ২১.৮ শতাংশে নেমে এসেছে। তখনকার রফতানি ছিলো ১০-১২ বিলিয়ন ডলার আর এখন সেই রফতানি ৩৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। তখন রিজার্ভ ছিলো মাত্র ৬-৭ বিলিয়ন ডলার এখন সেই রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলার। আর এভাবেই বাংলাদেশটা এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ নেতৃত্বে। তিনি আরো বলেন, একশো  ডলার মাথাপিছু আয়ের বাংলাদেশকে শেখ হাসিনা এক হাজার সাতশো  ৫১ ডলারের বাংলাদেশে রূপান্তর করেছে। ২০০৮ সালে অর্থনীতির আকার ছিলো ৯১ বিলিয়ন ডলার। এখন সেই অর্থনীতির আকার এখন দাঁড়িয়েছে ২৮৬ বিলিয়ন ডলারে। এছাড়া ব্রিটিশ একটা গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে ২০৩৩ সাল বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার হবে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। তখন সারাবিশ্বের মধ্যে আমাদের বাংলাদেশ হবে ২৩তম অর্থনীতির দেশ।
তিনি জানান, শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে দেশে একটা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে গত পাঁচ বছরে দেশে একটা দিনও হরতাল হয়নি। এছাড়া হলি আর্টিজেনের হামলার পরে কতোটা শক্ত হাতে ধর্মীয় উগ্রবাদকে শেখ হাসিনা সামলেছেন। ধর্মের সাথে সমাজ এবং অন্যরা মিলেমিশে এক উগ্রতা যখন তৈরি হয় সেটাকে শক্ত হাতে দমন করে তিনি একটা সামাজিক শান্তির বাতাবরণ তৈরি করেছেন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশ এতো দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। আর এর কারণ হচ্ছে সবাইকে একসাথে নিয়ে চলার বাংলাদেশ এখন না খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। গায়ে জামা নেই সেরকম মানুষ আজকে গ্রামবাংলায় খুঁজে পাওয়া যাবে না। তিন কেজি চাল মজুরি পেতো যে কৃষি শ্রমিক এখন সে ১৩ কেজি চালের মজুরি পায়। সবমিলে আমরা এখন দেখছি যে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

অন্যান্য সংবাদ