Skip to main content
Title Prefix
তুরিন আফরোজ-শমী কায়সার-রোকেয়া প্রাচী, এরা সংসদে এলে খুশি হবো

শেখ হাসিনার ভেরি ক্লিয়ার স্টেটমেন্ট, আন্দোলনে যারা ব্যর্থ তারা ভোটেও পরাজিত হয়েছে

(১)  শেখ হাসিনা এই কথাটা সত্যি  বলেছেন `আন্দোলনে যারা ব্যর্থ হয়, তারা নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারে না' এটাই হলো বাস্তবতা। নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের কারণটা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ভেবে দেখুন । বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে। তিনি বক্তব্য রাখেন (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন  মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ এই সভার আয়োজন করে। 

এর অর্থ খুব পরিষ্কার। যদি তুখোর আন্দোলন করতো বিএনপি। তাহলে জয়লাব করতো নির্বাচনে। অন্তত অনেকগুলো আসন পেতো। ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যে চলে। তার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।  জনরোষের কারণে তাদের সব আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে, বললেন শেখ হাসিনা।

(২) ৩০০ আসনের বিপরীতে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে। দল কিংবা জোটের অনুকূলে বরাদ্দ করা হবে।  গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে।  সংরক্ষিত নারী এমপি নির্বাচন শেষ করতে হবে ইসিকে।

গত ১ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। আর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে  সংরক্ষিত মহিলা আসনে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে। এবার আওয়ামী লীগ ৪৩টি। জাতীয় পার্টি ৪টি। ঐক্যফ্রন্ট ১টি। এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল পাবে ২টি আসন।

আমি খুব আশা করছি। আমার  খুব কাছের ৩ বন্ধুকে আওয়ামী লীগ যেন সাংসদ করে নেয়। 
ওরা হলো তুরিন আফরোজ, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচীর। ৩ জনই আওয়ামী লীগের খুব কাছাকাছি। ওরা ৩ জন ৩ কারণে যোগ্য। 

জাতীয় সংসদে ৩০ সেট অলংকার লিখেছিলো 'সাপ্তাহিক যায় যায় দিন'। ১৯৮৬ সালের দিকে। এরশাদ তখন ক্ষমতায়।  ওরা বৌমা টাইপের ছিলো অধিকাংশই। যায় যায় দিনের সেই সংখ্যাটা এরশাদ ব্যান্ড করেছিলো। এরপরই মিনার মাহমুদের উদ্যোগে আমাদের 'সাপ্তাহিক বিচিন্তা' বের হয়। ১৯৯৭-এর মাঝামাঝি। সেটাও ব্যানড করেছিলো এরশাদ। সে যাই হোক।

আমাদের এই ৩ জন,  তিন দিকের স্কলার। তুরিন আফরোজ একজন আইনজীবী। ডাবল ওনার্স ডাবল মাস্টার্স। ইকনোমিক্স আর ল' তে। ভারত ও অষ্ট্রেলিয়ায়। বার-এট-ল ও পিএইচডি করা মেয়ে। বাংলাদেশের কোনো মেয়ে এতো পড়াশুনা করে নাই। আর সংসদে সে সবচেয়ে কম। এবং সবচেয়ে সুন্দর কথা বলবে, আমার প্রত্যাশা। 

ইত্তেফাকের সাংবাদিক শহীদ হয়েছেন। শহীদুল্লাহ কায়সারের মেয়ে। শমী কায়সার। খুব সুন্দর বক্তৃতা করে সে। ১৯৯২ সালের দিকে, একাত্তরের  ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির গুলিস্তানের সভায়। তার প্রথম বত্তৃতা আমি শুনেছি। সাংবাদিক হিসেবে। সেদিন মঞ্চে ছিলো কবি সুফিয়া কামাল, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এবং শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা। অসাধারণ বক্ততা করেছিলো সে। আমি সেই বক্তৃতার বিষয়বস্তু নিয়ে লিখতে বলেছিলাম। সেই লেখা আমাদের তখনকার দৈনিক ভোরের-কাগজে ছাপা হয়েছে। সে যে বক্তৃতা করতে পারে অসাধারণ। সেটা আমি জানি।

আর একজন রোকেয়া প্রাচী।  আমার বন্ধু তারেক মাসুদের ছবিতে অভিনয় করে বিখ্যাত হয়েছে সে। বেশ কিছু আর্ট ফিল্ম করেছে। চমৎকার উচ্চারণ। আমার খুব পছন্দের সে। আওয়ামী লীগ করছে যদিও।

আশা করি এই ৩ জন। ৩ সেট অলংকার হিসেবে নয়। তরুণ জেনারেশনের এই ৩ জন।  বাংলাদেশের সবচেয়ে মেধাবী মেয়ে।  আমাদের কথা সংসদে তুলে ধরবে। 
 

অন্যান্য সংবাদ