Skip to main content

বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম সুপার ওভারে জিতলো চিটাগং ভাইকিংস

এবারও গোমরা মুখে মাঠ ছাড়তে হলো খুলনা টাইটানসকে। টানা তিন ম্যাচ হারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দলটি আজ জম্পেশ লড়াই করেছিলো চট্টলার বিরুদ্ধে। 

২০ ওভারের ম্যাচ যখন টাই হলো, তখনও টাইটানস শিবিরে কিছুটা আশার আলো উঁকি মারছিলো। মাঠে ১১ জনের ঠোটে যেনো কিঞ্চিত হাসি। সুপার ওভারে কিছু একটা হবে। টানা হারের পর চতুর্থ ম্যাচটি সুপার ওভারে জেতার স্বপ্ন বুনছিলেন মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদরা। কিন্তু ভাগ্য মন্দ খুলনার। টানা চার ম্যাচেই জয়শূন্য থাকতে হলো তাদের। মাত্র ১ রানে হেরে হতাশ বনে গেলেন রিয়াদরা। অপর দিকে বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম সুপার ওভারে ম্যাচ জিতলো চিটাগং ভাইকিংস।

এবারের আসরে টানা হারের কোনও কারণই খুঁজে পাচ্ছিলেন না খুলনার কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনে। যেদিন টানা তিন ম্যাচ হেরেছিলো, সেদিনই এমনটাই জানিয়েছিলেন জয়া বর্ধনে। এত ভালো একটা দল গড়েও এমন ব্যর্থতা মেনে নেয়া কঠিনই বটে।

শনিবার টস জিতে চিটাগং ভাইকিংস অধিনায়ক মুশফিক আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। আগে ব্যাট করে খুলনা টাইটানস ডেভিড মালানের ৪৫ রান আর দলনেতা মাহমুদউল্লাহর ৩৩ রানে ভর করে ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে সংগ্রহ করে ১৫১ রান। ভাইকিংসের হয়ে ২ উইকেট নেন সানজামুল ইসলাম। খুলনার দেয়া ১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে খুলনার বোলারদের নিয়মিত বিরতিতে উইকেট দিতে থাকে ভাইকিংসের ব্যাটসম্যানরা। 

দুই ওপেনারের দ্রুত বিদায়ের পর মোহাম্মদ আশরাফুলের বদলে দলে জায়গা পাওয়া ইয়াসির আলী খেলেন ৩৪ বলে ৪১ রানের ইনিংস। শুশফিকের ব্যাটে আসে ৩৪ রান। এরপর সিকান্দার রাজা, মোসাদ্দেক হোসেনরা দলের হাল ধরতে ব্যর্থ হওয়ার পর নাঈম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন রবি ফ্রাইলিংক।

শেষ ওভারে যখন ১৯ রান দরকার তখন ওভারের দ্বিতীয়, চতুর্থ আর পঞ্চম বলে তিন ছয়ে ম্যাচ সমতায় নিয়ে আসেন ফ্রাইলিংক। শেষ বলের নাটকীয়তায় ১ রান প্রয়োজন চিটাগং ভাইকিংসের। কিন্তু ফ্রাইলিংক রান আউট হয়ে যাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। তাতে প্রথমবারের মতো সুপার ওভারের স্বাদ পেল বিপিএল। সুপার ওভারে আগে ব্যাট করতে নেমে চিটাগং ভাইকিংস করে ১১ রান। 

জবাবে সুপার ওভারে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যর্থ হয় খুলনা। ১২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১০ রান পর্যন্ত তুলতে পারে তারা।
এই ম্যাচ দিয়ে টানা চতুর্থ পরাজয়ে পয়েন্ট তালিকায় তলানিতেই থেকে গেল খুলনা টাইটানস।