Skip to main content

বিদেশে মাদক পাচার রোধে শাহ আমানতে তল্লাশি জোরদার

মানবজমিন : মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মাদক পাচার রোধে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। কঠোর নজরদারিতে আনা হয়েছে যাত্রীদের ব্যাগসহ মালামাল। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। 
এমন তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশন বিভাগের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার এবিএম সারওয়ার-ই-জামান।

সারওয়ার-ই-জামান বলেন, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মাদক পাচারের তথ্য আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। আমাদের অত্যাধুনিক স্কেনার দিয়ে এসব পার হবার সুযোগ কম। তারপরও তল্লাশি জোরদার ছাড়াও বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। এ ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে আটকদের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে দেশি হোতাদের খুঁজে বের করতে জানানো হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।
বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে প্রবাসীদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব ও সর্বোচ্চ সেবা দেয়া হয়ে থাকে। তাদেরই জন্য খোলা হয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও সার্বক্ষণিক তথ্যকেন্দ্র টার্মিনাল ভবন জুড়ে সুপেয় পানির কল ও টেলিভিশন বসানো হয়েছে।

সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া। এরপরও তাদের যে কোনো অভিযোগ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের নিশ্চয়তা দিচ্ছি। অপেক্ষমাণ কক্ষটি আধুনিকায়নসহ প্রবাসী সিআইপিদের জন্য আরো কিছু বিশেষ সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ব্যবস্থাপক।
চট্টগ্রাম সমিতির উপদেষ্টা মো. সামসুল আজিম আনছার সিআইপি বলেন, তল্লাশি জোরদারে প্রবাসীদের দুর্ভোগ যেন না বাড়ে, সেদিকে যেমন খেয়াল রাখতে হবে তেমনি প্রবাসীদেরও সতর্ক হতে হবে চালানি গ্রহণে। অচেনার চালানি না নেয়া আর চেনা জনের চালানি পরীক্ষা করে নেয়াই উত্তম। ওমানে আটকদের অনেকেই শুধু চালানির জন্যই বিপদে পড়েছেন।

এর আগে ৫ই জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের প্রবাসী সহায়তা ডেস্ক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী ওমান বিমানবন্দরে ইয়াবার চালান ধরা পড়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের দুর্ভোগ চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, কিছুসংখ্যক প্রবাসী কিছুদিন ধরে ওমানে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক নিয়ে যাচ্ছে। ইয়াবা, গাঁজার চালান ওমানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা বুঝতে পারছি না, এতবড় মাদকের চালান চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকা বিমানবন্দর দিয়ে কিভাবে পার হচ্ছে? সেগুলো ওমান পর্যন্ত যাচ্ছে কিভাবে, তাহলে কি দেশের বিমানবন্দরে তল্লাশি সঠিকভাবে হচ্ছে না?

তিনি আরো বলেন, খাবার, দাঁতের মাজন, পেস্টসহ নানা মাধ্যমে যাওয়া ইয়াবা-গাঁজার চালান আটকের পর বাংলাদেশি যাত্রীদের কঠোর তল্লাশিতে পড়তে হচ্ছে। যা দেশের ইমেজই ক্ষুণœ হচ্ছে না শুধু, জনশক্তি বাজারের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কতিপয়ের অপকর্মে দুশ্চিন্তায় আছেন প্রায় ৮ লাখ ওমান প্রবাসী। এজন্য চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিমানবন্দরে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

অন্যান্য সংবাদ