Skip to main content

টুর্নামেন্টে টিকে থাকাই কঠিন : মাহমুদউল্লাহ

টানা চার ম্যাচে হার। খুলনা টাইটান্স শিবিরে জয় হয়ে উঠেছে সোনার হরিণ।!কোনোভাবেই যেন ধরা দিতে চাইছে না। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হলো সুপার ওভার। সেখানে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১২ রান। তাও পারলেন না খুলনা টাইটান্স ব্যাটসম্যানরা! শেষ চারের লড়াইয়ে যেতে লিগ পর্বের বাকি ম্যাচের ৬টিতে জিততেই হবে। এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে বিপিএলে টিকে থাকা কঠিন বলে মত দিলেন টাইটান্স দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

সংবাদ সম্মেলনে এসে রিয়াদ জানান, ‘জিততে পারলে অবশ্যই ভালো লাগতো। প্রথমবারের মতো সুপার ওভার। কেউই তো সুপার ওভার চায় না। আমার মনে হয় কোনো অধিনায়কই সুপার ওভার খেলতে চাইবে না। কারণ এক ওভারে ১৯ রান ডিফেন্ড করা আমাদের উচিত ছিল (মূল ম্যাচের শেষ ওভারে)। পারিনি, সুপার ওভারেও পারিনি। এখন আমাদের জন্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। বাকি ৮টি ম্যাচের ৫-৬টা জিততেই হবে। কঠিন।’

মাহমুদউল্লাহর কথা থেকেই বুঝতে পারছেন এদিন চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে শেষ ওভারে জিততে জয়ের জন্য টাইটান্সদের প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। ভাইকিংসদের হয়ে ছিলেন ফ্রাইলিঙ্ক ও নাইম হাসান। ক্রাঞ্চ মোমেন্টে ওভারটিতে নিজে না এসে আরিফুল হককে বোলিংয়ে পাঠালেন মাহমুদউল্লাহ। আরিফুল হক এসে ১৮ রান দিলেন। ম্যাচ টাই হলে ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে।

অথচ ওই ওভারটিতে অধিনায়ক নিজেও কিন্তু বোলিংয়ে আসতে পারতেন। কেননা বিপিএলে শেষ ওভারে বল করে দল জেতানোর অসংখ্য নজির তিনি নিজেই রেখেছেন। সেপ্টেম্বরে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপেও তো ভারতকে আটকাতে তাকেই বেছে নিলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তার মানে সেই দক্ষতা তার আছে। কিন্তু এই ম্যাচে তিনি কেন এলেন না?

জবাবে মাহমুদউল্লাহ জানালেন, ‘অফস্পিন হয়তো কঠিন হতো। ১ ওভারে ১৯ রান লাগে। আমি ভাবলাম আরিফুল হয়তো বেটার অপশন হবে। সে ওয়াইড ইয়র্কার করতে পারে। ফ্রাইলিঙ্ককে নিয়ে যে প্ল্যান ছিল, বাইরে বল দেয়া। দুর্ভাগ্য সেটা হয়নি। বিপিএলে দুইটা ম্যাচে আমাদের জেতার সুযোগ ছিল। দুইবারই সুযোগ মিস করলাম। সুপারে ওভারে ১২ রান বড় কোনো টার্গেট না। নস