Skip to main content

চট্টগ্রাম নগরীতে গ্যাস সংকট, দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের

Article Highlights

প্রতি বছরের মত এবারও শীতে চট্টগ্রাম নগরীতে গ্যাস সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ২টা দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকায় নগরীর অধিকাংশ এলাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা জানান, বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে গ্যাসের ব্যবহার বেশি থাকে। এ সময়ে বাসাবাড়িতে ২০ শতাংশ বাড়তি গ্যাস ব্যবহার হয়।

প্রতি বছরের মত এবারও শীতে চট্টগ্রাম নগরীতে গ্যাস সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ২টা দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকায় নগরীর অধিকাংশ এলাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা জানান, বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে গ্যাসের ব্যবহার বেশি থাকে। এ সময়ে বাসাবাড়িতে ২০ শতাংশ বাড়তি গ্যাস ব্যবহার হয়। বিশেষ বাসাবাড়িতে শীতের সময়ে গরম পানির ব্যবহার বেশি, বার বার রান্না গরম করা সহ নানান কাজে এর ব্যবহারের কারণে গ্যাসের চুলার ব্যবহারও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া শীতে তাপমাত্রা কম থাকায় গ্যাসের স্বাভাবিক যে প্রবাহ তা ঠিক থাকে না।  

গ্যাস11

যার কারণে গ্যাসের লাইনে তেল জাতীয় পদার্থ জমে যায় এবং গ্যাস ঘন হয়ে যায়। আর গ্যাসের প্রবাহ কমে যাওয়ায় তৈরি হয় গ্যাস সংকট। এজন্য এই সময়ে সংকটও বেশি। ফলে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় এই গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামে দৈনিক গড়ে গ্যাসের চাহিদা ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু এর বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

গ্যাস

জানাগেছে, নগরীর ইপিজেড, মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর, আগ্রবাবাদ, কোতয়ালি, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, চকবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সংকটে দেখা দেয়। জানতে চাইলে ইপিজেডে কাজ করেন মো. ইকবাল হোসেন নামে এক পোশাক শ্রমিক জানান, শুক্রবার আমার অফিস বন্ধ তাই সারাদিন পরিবারকে নিয়ে সময় দেই। কিন্তু কি বলবো সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে নাস্তা খাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপক্ষো করতে হয়। গ্যাস চাপ খুবই কম।