Skip to main content

গ্লোবাল শক্তিগুলো যতোই লাফালাফি করুক শেখ হাসিনার পলিটিক্সে যে তারা ফেল হবে তা ধরেই নেয়া যায়

পাকিস্তানকে আগে খাইলো আমেরিকা আর এখন খাবে চীন। আমেরিকার খাওয়ায় তেমন লস না হলেও চীন পাকিস্তানকে নিঃস্ব করে দেবে, পাকিস্তানকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাগ্য বরণ করতেও হতে পারে। কংগ্রেসের ভারত আর বিজেপির ভারত এক নয়। তাদের চিন্তা-চেতনাও এক নয়। বিজেপি একটি ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। এদের সাথে ম্যাচিং করা একমাত্র শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব।
দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে বার্মা, চীনের দুরভিসন্ধি নিয়া আধা সামরিক সরকার। যেখানের সরকার নানান জাতিগত দাঙ্গায় পূর্ণ সামরিক শক্তিকে দিবারাত্র কাজে লাগিয়েও ব্যর্থ।  চৈনিকদের কুমন্ত্রণায় আরাকানি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পুশিং তা কারো নজর এড়ায় না। তাদের মোকাবিলা করতে একমাত্র শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব। চীনাদের সীমাহীন অর্থনৈতিক পরাশক্তি হওয়ার বাসনায় তারা বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চায় খুব সহজেই আরব সাগরে নেমে যাওয়ার জন্যে। উন্নয়নের নামে নানা অর্থনৈতিক জঞ্জালে জড়িয়ে নিতে চায় বাংলাদেশকে, যা ইতিমধ্যেই তারা সফল হয়েছে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার ও নেপালকে। এটা মোকাবিলা করা একমাত্র শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব। গ্লোবাল শক্তিগুলো যতোই লাফালাফি করুক শেখ হাসিনার পলিটিক্সে যে তারা ফেল হবে তা ধরেই নেয়া যায়। চীনারাও পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়া চানক্য পলিটিক্স করতে চেয়েছিলো কিন্তু তাদের কামলার ওপরে জায়গা দেননি। গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ নিয়েও খেলতে চেয়েছিলো চীন, তাও সফল হতে দেননি। ভারতকেও সফল হতে দেননি তিনি। এদেশের নানা বড় প্রজেক্টে এখনো ভারত নাক গলালেও আমরা খুব শীঘ্রই দেখবো তা প্রতিহত করতে, এর জন্যে তো শেখ হাসিনার কিছু প্রস্তু‘তি দরকার যা তিনি ইতিমধ্যেই নিচ্ছেন। পদ্মা সেতুতে বিদেশি এক্সপার্টদের পাশাপাশি দেশি এক্সপার্টরা কাজ করাতে অভিজ্ঞতার সঞ্চিত হচ্ছে, যা পরবর্তী সময়ে কাজে লাগানো যাবে।
কেউ যদি ভাবেন যে শেখ হাসিনার সাথে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই এরশাদ সাহেব পূর্ণাঙ্গ বিরোধী দলের দায়িত্ব পালনের প্রেস নোট দিয়েছেন তাহলে তাদের সাথে তর্ক করে লাভ নেই । শেখ হাসিনা ও এরশদের এই দেশকে গড়ার মিশন ভিশন আছে তা নির্দ্বিধায় ভাবা যায়। ব্রাভো, এগিয়ে যাক নতুন বাংলাদেশ। ফেসবুক থেকে

অন্যান্য সংবাদ