Skip to main content

আবার উন্মুক্ত হচ্ছে আবাসিকে পাইপলাইনে গ্যাস সংযোগ 

Article Highlights

গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আবার আবাসিক খাতে পাইপলাইনে গ্যাসের নতুন সংযোগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সাথে আমদানি করা তরল বোতলজাত গ্যাস (এলপিজি) ও তরল গ্যাস (এলএনজি) এর দাম নির্ধারণ করা হবে। আর এজন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। 

গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আবার আবাসিক খাতে পাইপলাইনে গ্যাসের নতুন সংযোগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সাথে আমদানি করা তরল বোতলজাত গ্যাস (এলপিজি) ও তরল গ্যাস (এলএনজি) এর দাম নির্ধারণ করা হবে। আর এজন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। 

সূত্র জানায়, এলপিজি ও এলএনজির দাম নির্ধারণ এবং গৃহস্থালীতে নতুন সংযোগ দেয়ার বিষয়ে পর্যালোচনা করবে নব গঠিত এই কমিটি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সদস্য মিজানুর রহমানকে ওই কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিতে জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির (আরপিজিসিএল) একজন করে কর্মকর্তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দেয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সবপক্ষই একমত। তবে দেশজ গ্যাসের সংকটের মধ্যে এখন এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজি আমদানি এবং রেশনিং করে বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহ করার পরও দৈনিক গ্যাস ঘাটতি প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। তবে আগামী মার্চ-এপ্রিল মাস নাগাদ সামিট গ্রুপের এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। সামিটের ভাসমান টার্মিনাল থেকে দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। সেই আশায়ই আবার আবাসিকে পাইপলাইনে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা চলছে। 

প্রসঙ্গত, ২০১০-এ গৃহস্থালির সংযোগ বন্ধ করার সময় বলা হয়, গ্যাসের উৎপাদন দৈনিক ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছলে আবার সংযোগ উন্মুক্ত করা হবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের ঠিক আগে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালের শেষ দিকে আবার আবাসিকের গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সূত্রমতে, বর্তমানে প্রতিদিন দেশে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে প্রায় চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় তিন হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সংকট রয়েছে। এই ঘাটতি এলএনজি দিয়ে পূরণ করার চেষ্টা চলছে। সরকার বলছে চলতি বছরের প্রথমার্ধেই দেশে মোট এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করে সংকট সামাল দেওয়া সম্ভবপর হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এলএনজি আমদানি করে সাময়িক ভাবে দেশে গ্যাসের চাহিদা মেটানো হলেও এটা দীর্ঘমেয়াদী কোনও সমাধান নয়। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব আমাদের অপসর ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধান করতে হবে। এমনকি অনসরেও যেসব স্থানে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে দ্রুত ড্রিলিং করতে হবে। অন্যথায় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ