Skip to main content

 অর্থনীতিসহ নানা অগ্রগতি হলেও, মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বললেন, নীনা গোস্বামী

আইন ও শালিস কেন্দ্রের উপ-পরিচালক নীনা গোস্বামী বলেছেন, আমাদের মাথা পিছু আয় বেড়েছে। অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। সবথেকে বড় কথা আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃিত পেয়েছি এগুলো সবই পজেটিভ। কিন্তু আমাদের চোখে ইতিবাচক লখ্য করা যায়নি যে বিষয় গুলো তাহচ্ছে ক্রসফায়ারে নামে কথিত বন্দুক যুদ্ধ , গুম এবং গণগ্রেফতার অনেক বেশি। শুক্রবার বিবিসি নিউজে তিনি আরো বলেন, অর্থনীতিসহ নানা অগ্রগতি হলেও, মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগ জনক।

তিনি বলেন, গত বছর ক্রসফায়ারের মাধ্যমে কথিত বন্দুক যুদ্ধে অতন্ত ২৯২ জন নিহত হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে এত মানুষ নিহতের ঘটনা কিন্তু সভ্যসমাজের জন্য সত্যিই উদ্বেগ জনক। বিশেষ করে মাদক বিরোধী আভিযানের সময় অল্পসময়ের মধ্যে সিংহভাগ মানুষের মৃত্যু ঘটে।  

তিনি আরো বলেন, সংবাদ মাধ্যমের বিভিন্ন সূত্র থেকে এবং আমাদের নিজস্ব তদন্তের মাধ্যমে এসব তথ্য উঠে এসেছে। আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাথে এবিষয়ে কথা বলেছি কিন্তু তাদের সেই একই উত্তর। তারা বলে আমরা অভিাযানে যাওয়ার পর আমাদের উপর হামলা হয়েছে একপর্যায়ে আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালালে আসামী  নিহত হয়েছে। দুএকটা এরকম ঘটনা ঘটলে বিশ্বাষ করা যায় কিন্তু এতোগুলো ঘটনা কী বিশ্বাষ যোগ্য। আইনকে পাশ কাটিয়ে, বিচারককে পাশ কাটিয়ে যে কোন বাহীনর দ্বারা এধরনের ঘটনা অভিপ্রেত না কোনো মানবাধিকার সংস্থার কাছে।

তিনি জানান, অবশ্যই মাদক বিরোধী এবং সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চলবে । কিন্তু তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সঞ্চালকের এক প্রশ্নের যবাবে তিনি বলেন, আমাদের বিচার ব্যবস্তার উপর আস্থাহীনতার কারণেই কিছু জনগণ ক্রসফায়ারের পক্ষে, তবে এ দায়ভার কিন্তু রাষ্ট্রের।